মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিনাজুরী ইউনিয়নের ইতিহাস

বিনাজুরী ইউনিয়ন ইতিহাস সমৃদ্ধ এক জনপদ। ইতিহাস খ্যাত বহু খ্যতিমান ব্যক্তির জন্ম বিনাজুরী ইউনিয়নে। তৎকালীন জমিদার ও মহাজন বাড়ী রয়েছে বিনাজুরী গ্রামে। উনাদের অসংখ্য জনহিতকর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, দানশীল চিন্তাচেতনা জনমানুষের শ্রদ্ধায় এখনো অটুট রয়েছে।

 

তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জমিদার নবীন চন্দ্র সরকার প্রকাশ মহাজন এবং বিট্রিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত মাষ্টারদা সূর্যসেনের সহযোদ্ধা হরিপদ মহাজন। এছাড়াও মায়ানমান বৌদ্ধ ষষ্ঠ সংগীতিকারক, বহু মূল্যবান গ্রন্থপ্রণেতা ও পালি অভিধান রচিয়তা শ্রীমৎ শান্তরক্ষিত মহাথের, বিনাজুরী ইউনিয়নের প্রথম গ্র্যাজুয়েট বাবু কত্তুর্ল চন্দ্র বড়ুয়া, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠযোদ্ধা প্রবাল চৌধুরী, ছড়ার যাদুকর ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া, খ্যতিমান ডাক্তার অনিল বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠক ডাঃ আবু জাফর অন্যতম।

 

প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দয্যে অপরূপ বিনাজুরী গ্রামের পাশে বয়ে গেছে এশিয়া খ্যাত একমাত্র মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদী। হালদা নদীর অসংখ্য শাখা প্রশাখা বিনাজুরী অভ্যন্তরে প্রবাহিত।

 

বিনাজুরী ইউনিয়নে প্রচুর পরিমান মৌসুমী ফল, শাক-সব্জী উৎপাদন হয়। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ও জনপ্রিয় - তরমুজ, বাঙ্গী, বেগুন, ইক্ষু, শশা।

 

জমিদার নবীন চন্দ্র সরকার প্রকাশ মহাজন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় বিনাজুরী বানিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র কাগতিয়া হাট। তৎকালীন দুর দুরান্ত থেকে জনসাধারণ এসে কাগতিয়া হাটে এসে ক্রয় বিক্রয় করত।

 

ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিনাজুরী ইউনিয়নের সুখ্যাতি রয়েছে- এ অঞ্চলে ফুটবল একটি জনপ্রিয় খেলা। এ ছাড়া প্রতি পহেলা বৈশাখে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় এখানে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংস্কৃতির দিকে বিনাজুরী ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে নাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও  মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

 

ধর্মীয় ক্ষেত্রে অত্র এলাকার জনসাধারণ সম্প্রীতির মাধ্যমে সকল ধর্মীয় রীতি নীতি আচার আচরণ করে।


Share with :

Facebook Twitter